খুসখুসে কাশি হলে যা করণীয়..


শীতের শুরুর দিকে খুসখুসে কাশির সমস্যায় ভুগতে হয় অনেককেই। এ কাশিতে থুতু বা কফ হয় না। কিন্তু একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি ক্রমাগত কাশির সৃষ্টি করে। যা বিরক্তিকর ও অস্বস্তির। 

চলুন জেনে নেয়া যাক খুসখুসে কাশি হলে দ্রুত উপশমের জন্য করণীয়-

১) খুসখুসে কাশি নিরাময়ে সামান্য পরিমাণ আদা কুচি কুচি করে কেটে নিন। এক কাপ পানিতে এই আদা গরম করে নিন। খাওয়ার আগে ঠান্ডা হতে দিন। ক্রমাগত কাশিতে আদা খুবই উপাকারী।

২) রসুনের বহুগুণের কথা সবাই জানেন। রসুনের অ্যালিসিন নামের উপাদান জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এই উপাদানটি রসুনের বাজে গন্ধের কারণ হলেও তা শুকনো কাশি দূর করতে ওস্তাদ।

৩) শুষ্ক কাশিতে প্রচুর জল পান করতে হয়। এবং অবশ্যই সেই জল হালকা গরম হতে হবে। সারাদিনই অল্প অল্প করে গরম জল পান করলে, খুসখুসে কাশি দূর হয়ে যাবে। দিনে অন্তত ১২ গ্লাস হালকা গরম জল পান করুন। কাশি থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যাবে।

৪) সিগারেটের অভ্যাস থাকলে তা তৎক্ষণাৎ ছেড়ে দিন। সিগারেট কাশির উদ্রেগ বাড়িয়ে দেয়। সেই সাথে পাশে কেউ ধূমপান করলে তাকেও নিষেধ করে দিন।

৫) খুসখুসে কাশির ক্ষেত্রে হলুদ ওষুধের মতো কাজ করে। এক চা চামচ হলুদের গুঁড়ার সঙ্গে গুলমরিচ মিশিয়ে এক কাপ পানিতে গরম করুন। একে একটানা ২-৩ মিনিট গরম করে নিন। এটি খেলে দারুণ উপকার পাবেন।

৬) প্রতিদিন চারটি তুলসি পাতা নিয়ে, তার সাথে মধু মিশিয়ে চিবিয়ে খেয়ে নিন। চায়ের সাথে তুলসি পাতা মিশিয়েও খাওয়া যায়। তুলসী পাতা দ্রুত খুসখুসে কাশি নিরাময়ে সহায়ক।

৭) বেশি পরিমাণে কাশি থাকলে সমতল জায়গায় না ঘুমিয়ে উঁচু বালিশে ঘুমান। কাশির যন্ত্রণা একটু হলেও উপশম হবে।

৮) প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে। মধুতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। গলার খুশখুশে ভাব চলে যাবে। তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়।


৯) উষ্ণ জলে হালকা লবণ মিশিয়ে গার্গল করলেও বেশ আরাম মেলে। নাকের ভিতরে হালকা বাম ব্যবহার করতে পারেন। এটি নাকের পথকে পরিষ্কার করে কাশি কমাতে সহায়তা করবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*