টিমওয়ার্কে বন্ধুত্ব বজায় থাকলে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসে


টিমওয়ার্কে বন্ধুত্ব বজায় থাকলে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসে

ছবিটি প্রতীকী


বিষয়টি নিয়ে ২৬টি বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষানিরীক্ষা চালান বিশেষজ্ঞরা। সেখানে তৈরি করা হয় দু’টি দল। একটি সাধারণ সহকর্মীদের নিয়ে গড়া দল। দ্বিতীয়টিতে রাখা হয়েছে কেবলমাত্র বন্ধুদের। দেখা গেছে, পারফরম্যান্সের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকছে বন্ধুদের নিয়ে গড়া দলটি।
বন্ধুদের গ্রুপ যত বড়, সাফল্যও তত বেশি। আর টিমওয়ার্কের ক্ষেত্রে সাফল্য তখনই সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। দেখা গেছে, সেরা আউটপুট পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হলে, সাফল্য আসছে নিয়মিত। 

মোট ২৬টি সমীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৩৪৬৭ জন। এরমধ্যে গ্রুপের সংখ্যা ছিল ১০১৬টি। প্রতিটিতেই পারফরম্যান্সের দিক থেকে সাধারণ সহকর্মীদের থেকে কয়েক যোজন এগিয়ে ছিল বন্ধুদের নিয়ে গড়া টিমগুলি। যেকোনও বয়সের বন্ধুদের গ্রুপের ক্ষেত্রেই সমান ফলাফল মিলেছে। যত বড়দল, সাফল্যের অনুপাতও ততই বেশি। তবে, কোনও সমস্যার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অবশ্য তেমন আশানুরূপ পারফরম্যান্স পাওয়া যায়নি বন্ধুদের নিয়ে গড়া টিমগুলিতে। যেখানে সর্বাধিক আউটপুটের প্রশ্ন রয়েছে, সেখানে বন্ধুদের পরস্পরের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে দেখা গেছে। সেখানে তারা নিজেরাই নিজেদের মোটিভেশনের কাজ করে। কিন্তু, কোনও সমস্যার সমাধানে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও অনিচ্ছুকতার ছবিই দেখা গেছে সহকর্মীদের দলে।

সমীক্ষাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল অনলাইন জার্নালে। সেখানেই সব শেষে বলা হয়, কর্মক্ষেত্রে সোশাল ইভেন্টের উপর বেশি জোর দিলে আখেরে উপকার পাওয়া যায়। এইসব ইভেন্টের মাধ্যমে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সহকর্মীদের মধ্যে। আর তারই প্রতিফলন দেখা যায় টিমওয়ার্কের ক্ষেত্রে। আর সেটাই যেকোনও সংস্থার সাফল্যের ক্ষেত্রে মূলমন্ত্র।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*