বসিরহাটে অজানা জ্বর প্রাণ কাড়ল নাবালকের


বসিরহাটে অজানা জ্বর প্রাণ কাড়ল নাবালকের

মৃত মোস্তাফা গাজি


জানা গেছে, ৭ দিন ধরে জ্বর ছিল গোলাম মোস্তফা গাজি নামে ওই নাবালকের। স্থানীয় একজন চিকিৎসককে দেখানো হয়। কিন্তু, জ্বর কমেনি। এরপরই তাকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায়। চারদিন ধরে বসিরহাট হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তার। গতকাল বিকেলে হাসপাতাল মোস্তফাকে ছুটি দিয়ে দেয়। বাড়িতে যাওয়ার পর রাতে ফের অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল তার। এরপর খিঁচুনিও শুরু হয়। তড়িঘড়ি বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাকে। তবে বাঁচানো যায়নি। রাতেই মৃত্যু হয়।
নাবালকের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের মধ্যে ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের প্রশ্ন, মোস্তফা অসুস্থ থাকার পরও ছুটি দেওয়া হল কেন? অভিযোগ, এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেননি হাসপাতালের সুপার বা চিকিৎসক।

ঘুসুরি গ্রামের বাসিন্দা আবদুল বারিক মণ্ডলের অভিযোগ, এই গ্রামের পাশাপাশি পাঁচটি গ্রামে শতাধিক মানুষ জ্বরে আক্রান্ত। প্রতিটা পরিবারেই কারও না কারও জ্বর হয়েছে। ঘুসুরিতে কয়েকদিন আগে জ্বরে আক্রান্ত এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু, এত কিছুর পরও উদাসীন প্রশাসন। মশা মারার স্প্রে বা ব্লিচিং ছড়ানো হচ্ছে না। কোনও মেডিক্যাল ক্যাম্পও করা হচ্ছে না। 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*