ব্যাগে মিললো ব্যবহৃত কনডম অত:পর বেরিয়ে এল এই তথ্য


মামলা ওঠে দিল্লি আদালতে। পরে জেরার মুখে ভেঙে পড়েন ওই যুবতী। শুনানি চলাকালীন যুবতী স্বীকার করেন, সেক্সে দুজনেরই সম্মতি ছিল। বাড়িতে তাঁদের এই সম্পর্কের কথা কেউ জানতেন না। তবে বিয়ের প্রসঙ্গ কখনই ওঠেনি।

ব্যাগ থেকে বেরিয়ে পড়া ব্যবহৃত কনডমই ফাঁস করে দিল সব রহস্য। ধর্ষণের অভিযোগ থেকে শেষমেশ বাঁচিয়ে দিল এক যুবককে।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে মেয়ের ব্যাগ ঘাঁটতে গিয়ে আচমকাই তিনটি ব্যবহৃত কনডম পেয়েছিলেন এক মহিলা। মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তিনি। চাপের মুখে মেয়ে তাঁকে জানান, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করেছে এক যুবক। এরপরই মেয়েকে নিয়ে থানায় গিয়ে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা।

মামলা ওঠে দিল্লি আদালতে। পরে জেরার মুখে ভেঙে পড়েন ওই যুবতী। শুনানি চলাকালীন যুবতী স্বীকার করেন, সেক্সে দুজনেরই সম্মতি ছিল। বাড়িতে তাঁদের এই সম্পর্কের কথা কেউ জানতেন না। তবে বিয়ের প্রসঙ্গ কখনই ওঠেনি।

দিল্লির বিশেষ আদালত ধর্ষণের অভিযোগ নৎসাত করে জানিয়েছেন, অভিযোগকারী যুবতীর ব্যাগ থেকে তিনটি ব্যবহৃত কনডম পাওয়া গিয়েছে, যা ধর্ষণের তত্ত্ব কখনই খাঁড়া করে না। দুজনের সম্মতিতেই সেক্স হয়েছে। রায় ঘোষণার আগে আদালত এও জানায়, মা চাপ না দিলে মেয়ে কখনই আদালতে যেতেন না। ওই যুবককে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*